ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, নবী মুহাম্মদ মানুষের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ এবং তাঁর সকল সিদ্ধান্ত আল্লাহর নির্দেশনায় পরিচালিত। কিন্তু যদি দেখা যায় যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার ক্ষেত্রে তিনি কুরআনে বর্ণিত স্পষ্ট বিচারের বিধান অনুসরণ না করে, আবেগতাড়িত হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন এবং তা ভুল প্রমাণিত হয়, তখন সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলা কি যৌক্তিক নয়? আজ আমরা আলোচনা করব ইসলামের ইতিহাসের এমনই এক বহুল বিতর্কিত ও স্পর্শকাতর ঘটনা— “মারিয়া আল-কিবতিয়া এবং মাবুর (বা জুরিজ) এর ঘটনা”। একজন নিরপেক্ষ সমালোচকদের দৃষ্টিকোণ থেকে এই ঘটনাটি এবং এর সপক্ষে ইসলামি অ্যাপোলজিস্ট বা স্কলারদের দেওয়া নানা ‘গোঁজামিল’ ও তার ব্যবচ্ছেদ তুলে ধরা হলো এই ব্লগে।
পটভূমি: মারিয়ার বিরুদ্ধে যিনার অপবাদ এবং নবীর ‘তাৎক্ষণিক’ মৃত্যুদণ্ডের রায়
ঘটনাটি নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের শেষ ভাগের। তাঁর মিশরীয় দাসী মারিয়া আল-কিবতিয়ার গর্ভে যখন পুত্র সন্তান ইব্রাহিম জন্ম নেন, তখন মদিনার সমাজে এক গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। মারিয়ার দেখাশোনা করার জন্য মিশর থেকে মাবুর নামের এক কপ্ট বা খ্রিষ্টান দাস মদিনায় এসেছিলেন। তিনি মারিয়ার আত্মীয় বা পরিচিত হওয়ায় তাঁর ঘরে অবাধে যাতায়াত করতেন। মদিনার কিছু মানুষ রটাতে শুরু করে যে, এই সন্তান আসলে নবীর নয়, বরং ওই মিশরীয় যুবকের। এমনকি নবি পত্নী আয়েশা নিজেও ইব্রাহিমের সাথে মুহাম্মদের চেহারার মিল নেই বলে মন্তব্য করেছিলেন। আয়েশার এই কটাক্ষপূর্ণ ইঙ্গিত মূলত সেই অভিযোগকেই শক্তিশালী করেছিল।
এমন ব্যভিচারের অপবাদ শুনে নবী রাগান্বিত হয়ে ইসলামি শরীয়তের বিচারপ্রক্রিয়া অনুসরণ না করে, সন্দেহের বশীভূত হয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণহীন এক বিচারবহির্ভূত রায় দেম যা পরে ভুল প্রমাণিত হয়।
সহীহ মুসলিম (হাদিস নং ২৭৭১):
আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর উম্মুল ওলাদ (মারিয়া)-এর ব্যাপারে অভিযুক্ত হয়েছিল। তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) আলী (রা.)-কে বললেন, “যাও এবং তার গর্দান উড়িয়ে দাও (তাকে হত্যা করো)।”
আলী (রা.) তরবারি হাতে সেই ব্যক্তিকে হত্যা করতে ছোটেন। লোকটি তখন একটি বাগানের কুয়া থেকে পানি তুলছিল। আলীকে দেখে ভয়ে সে একটি খেজুর গাছে উঠে যায় এবং ধস্তাধস্তিতে তার পরনের কাপড় খুলে পড়ে যায়। তখন আলী (রা.) এক অবিশ্বাস্য সত্য আবিষ্কার করেন—লোকটি আসলে পুরুষত্বহীন বা ‘খোজা’ (Eunuch), যার কোনো পুরুষাঙ্গই নেই! অর্থাৎ, ব্যভিচার করার মতো শারীরিক ক্ষমতাই তার ছিল না। আলী (রা.) তখন তাকে হত্যা না করে ফিরে আসেন এবং নবীকে পুরো বিষয়টি জানান।
কুরআনের স্পষ্ট আইনি কাঠামোর চরম লঙ্ঘন
একজন নিরপেক্ষ সমালোচকের দৃষ্টিতে এই ঘটনাটি ইসলামের সম্পূর্ণ বিচারিক কাঠামোকে এক বিরাট প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দেয়। এর প্রধান কারণ তিনটি:
১. চারজন সাক্ষীর নিয়ম ও দ্বিমুখী প্রয়োগের চাক্ষুষ প্রমাণ
পবিত্র কুরআনের সূরা আন-নূরের ৪ নম্বর আয়াতে অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলা হয়েছে—কারো বিরুদ্ধে ব্যভিচারের অপবাদ আনতে হলে অবশ্যই চারজন প্রত্যক্ষ ও ন্যায়পরায়ণ সাক্ষী হাজির করতে হবে। যদি কেউ সাক্ষী ছাড়া এই অপবাদ দেয়, তবে অপবাদকারীকে উল্টো ৮০টি বেত্রাঘাত করতে হবে (আইনের পরিভাষায় যাকে ‘কাযফ’ বলা হয়)। সাধারণ মানুষের জন্য এই আইনি বাধ্যবাধকতা ছিল পাহাড়সম নিশ্ছিদ্র।
ইসলামের এই আইনি ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’ বা দ্বিমুখী নীতিটি সবচেয়ে নিখুঁতভাবে ধরা পড়ে, যখন আমরা নবীর আরেক স্ত্রী আয়েশা (রা.)-এর বিরুদ্ধে ওঠা ব্যভিচারের অপবাদের (ইফকের ঘটনা) বিচারপ্রক্রিয়া লক্ষ্য করি।
আয়েশার বিরুদ্ধে যখন মদিনার পরকীয়া ও ব্যভিচারের অভিযোগ উঠেছিল, তখন কিন্তু নবী তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে হত্যার নির্দেশ দেননি। বরং তিনি পারিবারিক সম্মান জড়িত থাকায় দীর্ঘ এক মাস ওহীর জন্য অপেক্ষা করেছিলেন, এবং চারজন সাক্ষী না থাকার কারণে কাউকেই তাৎক্ষণিক শাস্তি দেননি।
পরবর্তীতে যখন কুরআনের আয়াত নাজিল হয়ে আয়েশাকে নির্দোষ ঘোষণা করে, তখন চারজন প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছাড়া অপবাদ দেওয়ার অপরাধে নবী স্বয়ং তাঁর সাহাবী হাসান ইবনে সাবিতসহ তিনজনকে ইসলামি আইন অনুযায়ী ৮০টি করে বেত্রাঘাতের শাস্তি দিয়েছিলেন।
শুধু আয়েশা নন, সাহাবী মুগীরা ইবনে শুবার বিরুদ্ধে যখন ব্যভিচারের অভিযোগ আনা হয়, তখন আবু বাকরাহসহ তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য দেওয়া সত্ত্বেও কেবল চতুর্থ সাক্ষী কম হওয়ার কারণে—ইসলামি আইন অনুযায়ী ওই তিন প্রত্যক্ষ সাক্ষীকে উল্টো পিটিয়ে পিঠের চামড়া তুলে দেওয়া হয়েছিল!
তাহলে মূল বৈপরীত্য বা ডাবল স্ট্যান্ডার্ড কোথায়?
একজন সমালোচক ঠিক এই জায়গাটাতেই প্রশ্ন তোলেন: যখন আয়েশা (রা.) বা মুগীরার মতো প্রভাবশালী, গোত্রীয়ভাবে শক্তিশালী ও সামাজিকভাবে উচ্চমর্যাদার ব্যক্তিদের ঘটনা সামনে এলো, তখন ইসলামি আইন (চারজন সাক্ষী বা ওহীর অপেক্ষা) অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হলো। অথচ, মারিয়া কিবতিয়া (যিনি একজন সাধারণ দাসী ছিলেন) এবং সেই অসহায় খ্রিষ্টান দাস মাবুরের বেলায় কোনো ওহীর অপেক্ষা করা হলো না, কোনো চারজন সাক্ষী চাওয়া হলো না, এমনকি কোনো প্রাথমিক তদন্ত পর্যন্ত করা হলো না! স্রেফ লোকমুখের গুজবের ভিত্তিতে তরবারি পাঠিয়ে দেওয়া হলো গর্দান উড়িয়ে দেওয়ার জন্য।
এই ঘটনাগুলোর পাশাপাশি তুলনা করলে এটি দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে যায় যে, তৎকালীন মদিনা রাষ্ট্রে আইন সবার জন্য সমানভাবে কাজ করেনি। এমনকি নবী নিজেই পক্ষপাতদুষ্ট ছিলেন। যেখানে রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব বেশি ছিল, সেখানে আইনের মারপ্যাঁচে কঠোরতা ও নিয়ম দেখানো হয়েছে; আর যেখানে একজন অবহেলিত দাস বা দাসীর জীবন জড়িত ছিল, সেখানে আবেগ এবং ক্ষমতার একচেটিয়া জোরে আইনকে পুরোপুরি বুড়ো আঙুল দেখানো হয়েছে।
২. আত্মপক্ষ সমর্থন ও প্রাকৃতিক বিচারের (Natural Justice) পরিপন্থী:
যেকোনো সভ্য আইনি ব্যবস্থায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অন্তত জিজ্ঞাসা করার বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু এখানে নবী আলীকে পাঠিয়েছিলেন সরাসরি ‘হত্যা করতে’, গ্রেপ্তার বা তদন্ত করতে নয়। যদি সেই ব্যক্তি ভয় পেয়ে গাছ থেকে পড়ে না যেত এবং তার কাপড় খুলে না যেত, তবে আলী তো আদেশ অনুযায়ী তাকে অনায়াসেই হত্যা করে ফেলতেন। একজন সম্পূর্ণ নির্দোষ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী মানুষ স্রেফ সন্দেহের বশে খুন হয়ে যেতেন।
৩. ওহী বা অলৌকিক জ্ঞানের অনুপস্থিতি
ইসলামি বিশ্বাস মতে, নবী প্রতি মুহূর্তে আল্লাহর গাইডেন্স বা ওহী পেতেন। নবী নিজ থেকে কিছু বলেন না, যা বলেন তা আল্লাহর পক্ষ থেকে। এমনকি সহিহ আছে যে তাহলে নিজের ঘরের এত বড় একটা সত্য (যে লোকটি খোজা) তা জানতে কেন ওহীর প্রয়োজন হলো না? কেন একজন নির্দোষ মানুষকে মারতে পাঠাতে হলো এবং শেষ পর্যন্ত আলী (রা.)-এর চাক্ষুষ দেখার ওপর নির্ভর করতে হলো? এটি কি প্রমাণ করে না যে পুরো বিষয়টি ওহী-চালিত ছিল না, বরং তা ছিল সম্পূর্ণ মানবিক আবেগ ও ক্ষোভের বশে নেওয়া একটি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত?
ইসলামি অ্যাপোলজিস্টদের ‘গোঁজামিল’ এবং তার খণ্ডন
বিগত চৌদ্দশ বছর ধরে ইসলামি স্কলাররা এই ঘটনার আইনি ত্রুটি ঢাকতে নানামুখী ব্যাখ্যা বা যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছেন। আসুন, পয়েন্ট ধরে ধরে সেই যুক্তিগুলোর অসারতা উন্মোচন করা যাক:
গোঁজামিল ১: “নবী আসলে জানতেন লোকটি নির্দোষ, এটি ছিল আলীকে দিয়ে সত্য প্রকাশের একটা কৌশল!”
খণ্ডন: এই যুক্তিটি সাধারণ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের কাছে চরম অবাস্তব মনে হতে পারে। হাদিসের স্পষ্ট নির্দেশ ছিল—”তার গর্দান উড়িয়ে দাও”। নবী যদি সত্য উন্মোচনই করতে চাইতেন, তবে আলীকে বলতেন, “যাও, তার খোঁজ নিয়ে এসো সে কেমন মানুষ।” সরাসরি তরবারি নিয়ে শিরশ্ছেদ করতে পাঠানো কোনো তদন্তের অংশ হতে পারে না। তাছাড়া, স্রেফ একটা ‘নাটক’ বা ‘কৌশল’-এর জন্য একজন নির্দোষ মানুষের জীবনকে এভাবে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া কোনো আদর্শিক নেতার চরিত্র হতে পারে না।
গোঁজামিল ২: “এটি ছিল রাষ্ট্রপ্রধানের বিশেষ ক্ষমতা বা ‘তাজীর’ (Sovereign Prerogative)”
খণ্ডন: স্কলাররা দাবি করেন, মদিনা রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে নবী জরুরি প্রয়োজনে সাধারণ আইন স্থগিত করে তাৎক্ষণিক রায় দিতেই পারেন।
কিন্তু এই যুক্তিটি ইসলামের নিজস্ব “ইনসাফ” ধারণাকেই ধ্বংস করে দেয়। ইসলাম দাবি করে—আইনের চোখে শাসক ও সাধারণ নাগরিক সমান। যদি রাষ্ট্রপ্রধান নিজের বা নিজের পরিবারের ওপর অভিযোগ আসার কারণে সাধারণ আইনি প্রক্রিয়া (সাক্ষী ও প্রমাণ) লঙ্ঘন করে সরাসরি মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিতে পারেন, তবে তা আর “ঐশ্বরিক ইনসাফ” থাকে না, বরং তা স্বৈরতান্ত্রিক বা একনায়কতান্ত্রিক शासनব্যবস্থার রূপ নেয়।তার চেয়ে বড় কথা হলো এই ঘটনায়তো নবীর সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণিত হলো।
গোঁজামিল ৩ : “লোকটি আসলে ব্যভিচারের জন্য নয়, ‘গুপ্তচরবৃত্তি’র জন্য মৃত্যুর আদেশ পেয়েছিল”
খণ্ডন: এটি মূল ঘটনাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন খাতে মোড় নেওয়ার একটি আধুনিক মনগড়া চেষ্টা। কারণ, সহীহ মুসলিমসহ বিশুদ্ধতম হাদিস গ্রন্থগুলোর কোথাও ‘গুপ্তচরবৃত্তি’ বা ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’র কোনো উল্লেখ নেই। হাদিসের স্পষ্ট শব্দ হলো, লোকটির বিরুদ্ধে মারিয়ার (নবীর উম্মুল ওলাদ) ব্যাপারে অভিযোগ উঠেছিল। স্কলারদের এই দাবিটির পেছনে কোনো ঐতিহাসিক দলিল বা সনদের ভিত্তি নেই।
গোঁজামিল ৪: “ইসলামে মানুষকে খোজা করা নিষিদ্ধ, তাই সে অপরাধী ছিল”
খণ্ডন: এটি আরেকটি দুর্বল গোঁজামিল। কারণ ওই ব্যক্তিটি মদিনার কোনো মুসলিম ছিলেন না; তিনি ছিলেন মিশরের খ্রিষ্টান কপ্ট বংশীয় এবং রোমান বা মিশরীয় প্রথা অনুযায়ী দাস হিসেবে তাকে অনেক আগেই খোজা করা হয়েছিল। মদিনায় আসার পর সে নতুন করে কোনো অপরাধ করেনি। তাছাড়া, হাদিসে তাকে হত্যার আদেশের কারণ হিসেবে মারিয়ার সাথে তার সম্পর্কের গুঞ্জনকেই স্পষ্ট করা হয়েছে, তার শারীরিক অবস্থা বা পূর্বের কোনো প্রথাকে নয়।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
মারিয়া কিবতিয়ার এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, ধর্মগ্রন্থে বা কিতাবে আইনের বাণী যতই সুমিষ্ট বা কঠোর হোক না কেন, বাস্তব জীবনে ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা মানুষেরা অনেক সময়ই সেই আইনের ঊর্ধ্বে চলে যান। নিজের ঘরের সম্মানহানির ক্ষোভ ও বেদনায় নবী তাৎক্ষণিকভাবে চারজন সাক্ষীর সেই কঠিন আইনি বাধ্যবাধকতা ভুলে গিয়েছিলেন। ফলে, ধর্মের কঠিন নিয়মগুলো সাধারণ মানুষের জন্য যতটা কঠোরভাবে প্রযুক্ত হতো, স্বয়ং নবী বা তাঁর পরিবারের স্বার্থে সেগুলো অনেক সময়ই শিথিল বা উপেক্ষিত হতো—এই ঘটনাটি তারই এক জ্বলন্ত এবং অখণ্ডনীয় প্রমাণ।
প্রাসঙ্গিক রেফারেন্স:
মারিয়া কিবতিয়ার মূল ঘটনা: সহীহ মুসলিম (তাওহীদ পাবলিকেশন্স), হাদিস নং ৬৯৪৩; মুসনাদে আহমাদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), হাদিস নং ১২৫৮৪; আল-মুস্তাদরাক (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৪১, তারিখে তাবারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), সংশ্লিষ্ট খণ্ড এবং আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, আল্লামা ইবনে কাসীর, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, খণ্ড ৫, পৃষ্ঠা ৪৯৯।
আয়েশার ঘটনা ও অপবাদকারীদের বেত্রাঘাত: সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন্স), হাদিস নং ৪১৪১; সহীহ মুসলিম (তাওহীদ পাবলিকেশন্স), হাদিস নং ৬৯৪২। আল-কুরআন: সূরা আন-নূর (২৪), আয়াত: ১১-১২
মুগীরা ইবনে শুবার বিচার ও ৩ সাক্ষীকে বেত্রাঘাত: সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন্স), হাদিস নং ২৬৪৮ এবং আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), ৭ম খণ্ড।





