ইসলামী ধর্মগ্রন্থে প্রাণী সংক্রান্ত নানা বিতর্কিত নির্দেশনার কথা অনেকেরই জানা, তবে উদ্ভিদের মতো একটি সম্পূর্ণ অচেতন ও নিরপেক্ষ প্রাকৃতিক উপাদানের প্রতি ধর্মীয় বিদ্বেষ আরোপের ঘটনাও কিন্তু কম নয়। পরিবেশ সুরক্ষা ও বৃক্ষরোপণের কথা বলে ইসলামকে অনেক সময় পরিবেশবান্ধব হিসেবে প্রচার করা হলেও, হাদিস ও কোরআনের গভীরে প্রবেশ করলে দেখা যায় সেখানে নির্দিষ্ট কিছু গাছকে ‘শত্রুর গাছ’ বা ‘অভিশপ্ত বৃক্ষ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কেবল অলৌকিক যুদ্ধকাহিনীর স্বার্থে একটি গাছকে খলনায়ক বানানোর এই ধর্মীয় মনস্তত্ত্ব আধুনিক যুক্তিবোধের বিচারে অত্যন্ত অদ্ভুত ও পরিবেশবিরোধী।
১. গাছ সংক্রান্ত ধর্মীয় বৈষম্য ও বিদ্বেষ
ইসলামী হাদিস শাস্ত্রে সবচেয়ে আলোচিত গাছ বিদ্বেষের ঘটনাটি ঘটে ‘ঘরকাদ’ বা ‘গারকাদ’ (Gharqad) গাছকে ঘিরে। সাহিহ বুখারি ও সাহিহ মুসলিমসহ একাধিক নির্ভরযোগ্য হাদিসগ্রন্থে একটি অলৌকিক শেষ জামানার যুদ্ধের বর্ণনা পাওয়া যায়।
সহিহ হাদিস অনুযায়ী, ভবিষ্যৎ এক যুদ্ধে মুসলিমরা যখন ইহুদিদের সাথে লড়াই করবে, তখন ইহুদিরা আত্মরক্ষার জন্য পাথর ও গাছের পেছনে গিয়ে লুকাবে। সেই সময়ে প্রকৃতির প্রতিটি পাথর ও গাছ অলৌকিকভাবে কথা বলে উঠবে এবং বলবে, “হে মুসলিম, আমার পেছনে একজন ইহুদি লুকিয়ে আছে, এসে তাকে হত্যা করো।” কিন্তু সব গাছ কথা বললেও ‘ঘরকাদ’ গাছটি ইহুদিদের গোপন অবস্থান প্রকাশ করবে না। কারণ হাদিসের দাবি অনুযায়ী, ঘরকাদ হলো “ইহুদিদের গাছ”।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
“কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে না যতক্ষণ না মুসলিমরা ইহুদিদের সাথে যুদ্ধ করবে। অতঃপর মুসলিমরা তাদের হত্যা করবে, এমনকি ইহুদিরা পাথর বা গাছের পেছনে আত্মগোপন করলে সেই পাথর বা গাছ বলবে— ‘হে মুসলিম, হে আল্লাহর বান্দা! এই তো আমার পেছনে একজন ইহুদি আছে, এসো তাকে হত্যা করো।’ তবে ঘরকাদ গাছ ব্যতীত; কারণ এটি ইহুদিদের গাছ।”
- গ্রন্থ: সাহিহ মুসলিম
- অধ্যায়: কিতাবুল ফিতান ওয়া আশরাতুস সাআহ (ফিতনা ও কিয়ামতের আলামতসমূহ)
- হাদিস নম্বর: ২৯২২ (আন্তর্জাতিক) / ৭২০০ (বাংলা প্রকাশনী)
- হাদিসের মান: সহিহ
এছাড়াও, কোরআনে ‘যাক্কুম’ নামক একটি গাছকে “অভিশপ্ত বৃক্ষ” হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে, যার ফল শয়তানের মাথার মতো এবং তা জাহান্নামীদের পেটে ফুটন্ত তেলের মতো ফুটবে। তবে ‘ঘরকাদ’ গাছের ঘটনাটি বাস্তব দুনিয়ার এক প্রজাতির উদ্ভিদের ওপর সরাসরি ধর্মীয় ও অলৌকিক বিদ্বেষ আরোপের সবচেয়ে বড় উদাহরণ।
২. আক্রোশ ও হিংসা থেকে ফলবাগান জ্বালিয়ে দেয়ার নির্দেশ
শুধু অলৌকিক শত্রুতা আরোপের মধ্যেই এই বিদ্বেষ সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং অনর্থক রাগ ও আক্রোশ থেকে জীবন্ত ও ফলবান বাগান জ্বালিয়ে দেওয়ার বাস্তব নজিরও রয়েছে। বনু নাযির গোত্রকে যখন অবরোধ করা হয়, তখন তারা ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল এবং সেই সুমিষ্ট ‘বুওয়াইরা’ খেজুর বাগানসহ সমস্ত সম্পদ মুসলিমদের হস্তগত হওয়া ছিল কেবল সময়ের ব্যাপার।
স্বয়ং বেশ কয়েকজন সাহাবীও এই অহেতুক বিধ্বংসী কাণ্ড দেখে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তারা অনুযোগ করে বলেছিলেন যে, যে সম্পদ আর কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের অধিকারে চলে আসবে, তা অনর্থক পুড়িয়ে বা কেটে নষ্ট করার কী যুক্তি? এমনকি খোদ আরবের প্রাচীন যুদ্ধ নীতিতেও শত্রুর ফলজ বাগান বা চাষের জমি নষ্ট করাকে অন্যায় ও নীচ কাজ মনে করা হতো। কিন্তু তৎকালীন সময়ে কোনো সামরিক প্রয়োজন ছাড়াই কেবল শত্রুর প্রতি চরম আক্রোশ, হিংসা ও তাদের অহংকার ভেঙে দেওয়ার মানসিকতা থেকে সেই উর্বর খেজুর বাগান কেটে আগুনে ছাই করে দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে নিজের সাহাবীদের অসন্তোষ এবং আরবদের তীব্র সমালোচনা থেকে এই অমানবিক কাজটিকে জাস্টিফাই করতে কোরআনের আয়াত (সূরা আল-হাশর: ৫) নাযিল করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, এই গাছ পোড়ানো কোনো অপরাধ নয়, বরং তা ঈশ্বরের অনুমোদন ও নির্দেশেই হয়েছে। নিশ্চিত নিজেদের সম্পদ হতে যাওয়া একটি অনন্য প্রাকৃতিক পরিবেশকে কেবল ক্ষোভ ও রাগ থেকে ধ্বংস করা এবং পরে সেটাকে ‘ঐশ্বরিক আদেশ’ বানিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার এই মানসিকতা ধর্মীয় নৈতিকতার আসল চেহারাকেই উন্মোচন করে।
৩. ইসলামিক অ্যাপোলজিস্টদের গোঁজামিল ও যৌক্তিক খণ্ডন
এই অবৈজ্ঞানিক ও অদ্ভুত হাদিস গোপন করা কিংবা এটিকে আধুনিক সভ্যতার সাথে মিলিয়ে জায়েজ করার জন্য ইসলামিক স্কলার ও অ্যাপোলজিস্টরা বেশ কিছু প্রথাগত গজামিল বা অজুহাত দিয়ে থাকেন। নিচে তাদের প্রধান গজামিলগুলো এবং সেগুলোর যৌক্তিক খণ্ডন তুলে ধরা হলো:
গোঁজামিল ১: “ঘরকাদ গাছ কথা না বলা মানে গাছটির নিজস্ব কোনো অন্যায় নয়, এটি রূপক অর্থ”
খণ্ডন: অ্যাপোলজিস্টরা প্রায়ই দাবি করেন যে ঘটনাটি রূপক বা মেটাফোরিক্যাল। তবে ইসলামী মূল ধারার মুহাদ্দিস ও স্কলাররা সব সময়ই এই হাদিসগুলোকে আক্ষরিক বা বাস্তবানুগ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। হাদিসের ভাষ্য অত্যন্ত পরিষ্কার ও স্পষ্ট। সেখানে পাথর ও অন্যান্য সমস্ত সাধারণ গাছকে মুসলিমদের সাহায্যকারী বানানো হলেও নির্দিষ্ট একটি প্রজাতিকে ইহুদিদের রক্ষক বলা হয়েছে। রূপক বলে পার পাওয়ার চেষ্টা হাদিসের মূল ভাষা ও তাফসিরের সাথেই সাংঘর্ষিক।
গোঁজামিল ২: “ইহুদিরা আধুনিক ইসরায়েলে প্রচুর ঘরকাদ গাছ রোপণ করছে, যা হাদিসের অলৌকিক সত্যতা প্রমাণ করে”
খণ্ডন:: এটি অ্যাপোলজিস্টদের একটি মারাত্মক অপপ্রচার ও অলৌকিকতার ভুয়া গল্প। আন্তর্জাতিক বা ইসরায়েলি কৃষি ও বন বিভাগের কোনো রেকর্ডে ঘরকাদ গাছকে বিশেষভাবে অগ্রাধিকার দিয়ে রোপণ করার কোনো প্রমাণ নেই। মরুভূমি সবুজায়ন প্রকল্পে যেকোনো স্বাভাবিক উদ্ভিদের মতোই এটি জন্মায়। একটি ধর্মীয় ভবিষ্যদ্বাণীকে জোর করে সত্যি প্রমাণ করতে ইন্টারনেটে এই কাল্পনিক প্রচার চালানো হয়।
গোঁজামিল ৩: “আল্লাহ যার মধ্যে ইচ্ছা অলৌকিক শক্তি দিতে পারেন, তাই একে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে দেখা ভুল”
খণ্ডন: যুক্তিবিজ্ঞান বলে, কোনো দাবি যত অলৌকিক, তার প্রমাণের ভারও ততটাই বড়। সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও স্নায়ুতন্ত্রহীন উদ্ভিদের পক্ষে কথা বলা বা কারও রাজনৈতিক পরিচয় চিনে কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় গোষ্ঠীর পক্ষ অবলম্বন করা জীববিজ্ঞান ও প্রাকৃতিক নিয়মের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। সপ্তম শতকের আরবের গোত্রীয় শত্রুতা ও জাতীয়তাবাদী ক্ষোভকে মেটাতে গিয়ে প্রকৃতির উপাদানের ওপরও ধর্মীয় শত্রুতা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
বনু নাযিরের অবরুদ্ধ বুওয়াইরা খেজুর বাগান পোড়ানো নিয়ে অ্যাপোলজিস্টরা মূলত তিন ধরনের খোঁড়া যুক্তি বা গোঁজামিল দিয়ে থাকেন।
প্রথমত, তারা একে কেবল ‘যুদ্ধের মনস্তাত্ত্বিক কৌশল’ বলে জায়েজ করার চেষ্টা করেন; অথচ শত্রু যখন সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ ও কোণঠাসা, তখন যে বিশাল সম্পদ নিশ্চিতভাবেই জয়ী বাহিনীর হাতে আসতে যাচ্ছে, কেবল মানসিকভাবে চাপ দেওয়ার বাহানায় সেই জীবন্ত উর্বর বাগান ছাই করে দেওয়া কোনো দূরদর্শী কৌশল নয়, বরং হিংসা ও আক্রোশেরই বহিঃপ্রকাশ।
দ্বিতীয়ত, তারা দাবি করেন যে পরবর্তী ইসলামি যুদ্ধনীতিতে খলিফা আবু বকর গাছ কাটা নিষিদ্ধ করেছিলেন, তাই এটি একটি ‘ব্যতিক্রমী ঘটনা’। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কোরআনের আয়াত (সূরা আল-হাশর: ৫) এবং নবীর প্রত্যক্ষ কাজ যেখানে গাছ কাটাকে বৈধতা দিয়েছিল, সেখানে খলিফা আবু বকর কোন অধিকারে সেই নীতি পরিবর্তন করলেন? ইসলামি বিধানমতে আল্লাহ বা নবীর স্পষ্ট আমল বাতিল করার ক্ষমতা কোনো খলিফার নেই। এতে এটাই স্পষ্ট হয় যে, আবু বকর নিজেও হয়তো অনুধাবন করেছিলেন নবীর সেই সিদ্ধান্তটি নৈতিকভাবে সঠিক ছিল না। যে অমানবিক কাজটি থেকে পরবর্তী খলিফাকে নতুন আদেশ দিয়ে বিরত থাকতে হয়, তা কখনোই ঐশ্বরিক বা চিরন্তন নৈতিক নীতি হতে পারে না।
আর তৃতীয়ত, তারা সবশেষে দায়িত্ব ঈশ্বরের ওপর চাপিয়ে দিয়ে বলেন যে এটি আল্লাহর নির্দেশেই হয়েছে; যা মূলত সাহাবিদের মনে ওঠা অসন্তোষ ও তৎকালীন আরবের তীব্র সমালোচনা থেকে বাঁচতে যেকোনো সিদ্ধান্তকে ‘ঐশ্বরিক অনুমোদন’ বানিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার এক পুরনো মোড়ক ছাড়া আর কিছু নয়।
যৌক্তিক দৃষ্টিভঙ্গি ও শেষকথা
পরিবেশবিজ্ঞানের বিচারে পৃথিবীতে জন্ম নেওয়া প্রতিটি গাছই আমাদের বাস্তুসংস্থানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ঘরকাদ হোক কিংবা অন্য যেকোনো ক্যাকটাস জাতীয় মরু উদ্ভিদ—প্রকৃতির চোখে কোনো গাছই স্বধর্মীয় বা ভিন্নধর্মী হতে পারে না। গাছ কেবল একটি জীবন্ত প্রাকৃতিক সত্তা, যার কাজ সালোকসংশ্লেষণ করা এবং পরিবেশকে টিকিয়ে রাখা।
সপ্তম শতকের আরবের আঞ্চলিক ও রাজনৈতিক যুদ্ধকে ঐশ্বরিক রূপ দিতে গিয়ে প্রাকৃতিক বৃক্ষরাজিকে যুদ্ধের খলনায়ক ও অলৌকিক তথ্যদাতা বানানোর এই ধারণাটি মানুষের অন্ধ আনুগত্যের ওপর ভর করে গড়ে উঠেছে। আধুনিক মুক্তবুদ্ধি ও বিজ্ঞানমনস্কতার কষ্টিপাথরে ধর্মীয় অলৌকিকতার মোড়কে মোড়ানো এই গাছ বিদ্বেষের গল্পগুলো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক, অবৈজ্ঞানিক এবং হাস্যকর বৈষম্যের বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছুই নয়।
প্রাসঙ্গিক রেফারেন্স:
পাঠকদের সুবিধার্থে এবং ব্লগের তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রধান রেফারেন্সগুলো নিচে দেওয়া হলো। আপনি চাইলে সরাসরি মূল লিংকগুলোতে ক্লিক করে হাদিস বা কোরআনের আয়াতগুলো মূল আরবী ও বিভিন্ন ভাষার অনুবাদে দেখে নিতে পারেন।
১. ঘরকাদ গাছ সংক্রান্ত প্রধান হাদিস (সাহিহ মুসলিম)
গ্রন্থ: সাহিহ মুসলিম, কিতাবুল ফিতান ওয়া আশরাতুস সাআহ (ফিতনা ও কিয়ামতের আলামত অনুচ্ছেদ)
হাদিস নম্বর: সাহিহ মুসলিম ২৯২২ (আন্তর্জাতিক নম্বর ২৯২২, বাংলা হাদিস নম্বর ৭২০০)
বিবরণ: কিয়ামতের পূর্বের যুদ্ধের বর্ণনা, যেখানে ঘরকাদ গাছ ছাড়া সব গাছ ও পাথর কথা বলবে এবং ইহুদিদের সুরক্ষার কথা জানাবে।
লিংক: https://sunnah.com/muslim:2922b
২. ঘরকাদ গাছ ও যুদ্ধের বিকল্প বর্ণনা (সাহিহ বুখারি)
গ্রন্থ: সাহিহ বুখারি, কিতাবুল জিহাদ ওয়াস সিয়ার (জিহাদ ও অভিযান অনুচ্ছেদ)
হাদিস নম্বর: সাহিহ বুখারি ২৯২৫ এবং ৩৫৯৩
বিবরণ: কিয়ামতের আগে ইহুদিদের সাথে যুদ্ধ এবং অলৌকিকভাবে পাথরের কথা বলার বর্ণনা।
লিংক: https://sunnah.com/bukhari:2925
৩. যাক্কুম গাছ সংক্রান্ত কোরআনের আয়াত
গ্রন্থ: আল-কোরআন
সূরা ও আয়াত: সূরা আস-ফফাত (৬২-৬৫), সূরা আদ-দুখান (৪৩-৪৬), সূরা আল-ওয়াকিআ (৫১-৫৩)
বিবরণ: জাহান্নামের ‘অভিশপ্ত বৃক্ষ’ যাক্কুমের বর্ণনা, যা জাহান্নামীদের খাবার হবে।
লিংক: https://quran.com/37/62-65
৪. বনু নাযিরের খেজুর বাগান (বুওয়াইরা) পোড়ানো সংক্রান্ত আয়াত ও তাফসির
গ্রন্থ: আল-কোরআন (সূরা আল-হাশর, আয়াত ৫) এবং তাফসিরে ইবনে কাছির
বিষয়বস্তু: বনু নাযির অবরোধের সময় খেজুর গাছ কেটে ফেলার ঘটনার ‘ঐশ্বরিক’ অনুমোদন এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট।
লিংক: https://quran.com/59/tafsirs/en-tafisr-ibn-kathir
৫. আবু বকর (রা.)-এর যুদ্ধের সময় গাছ কাটতে নিষেধ করার নির্দেশ
গ্রন্থ: মুয়াত্তা মালিক (Imam Malik’s Muwatta), হাদিস নং ৯৫৯
বিষয়বস্তু: প্রথম খলিফা আবু বকর যখন সিরিয়ায় সৈন্য পাঠাতেন, তখন গাছ না কাটার যে নির্দেশ দিতেন তার বিবরণ।
লিংক: https://sunnah.com/mowatta/21/9
নবী মুহাম্মদের প্রাণীবিদ্বেষ সম্পর্কে জানতে এই ব্লগটি পড়ুন।





